২৪শে জুলাই এর পর রাজুক মডেল কলেজে আবার আলোচনায় একটি নাম আজহার রাজুকের দীর্ঘদিনের এই প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে যা নিয়ে টিভি নিউজ রিপোর্টও আছে এছাড়াও তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় তার ভূমিকার জন্য ব্যাপক সমালোচিত হন ১৮ই জুলাই বিএনএস সেন্টার এলাকায় যখন পুলিশ গুলি টিয়ার সেল ও লাঠিচার্জ চালাচ্ছিল তখন আশ্রয়ের জন্য অসংখ্য শিক্ষার্থী ছুটে আসে রাজুব কলেজে সেই সময় আজহারের নির্দেশে কলেজের গেট বন্ধ রাখা হয় কলেজের সামনে এপিসি থেকে গুলি ছড়লেও গেট খোলা হয় না পরে শিক্ষার্থীরাই গেট ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে গুলিবিদ্ধ আহত শিক্ষার্থীরা আশ্রয় চাইলে তাদের জন্য গেট খোলা হয়নি কলেজের প্রত্যেকটি গেট বন্ধ রাখা হয় আজহার ও প্রাক্তন ভিপি আমিনের নির্দেশ ও হুমকিতে অনেক শিক্ষক সাহায্য করতে এগিয়ে এসে থেমে যান এমনকি কলেজের ভিতরে থাকা পানি ও আন্দোলনকারীদের কাছে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয় ২৪ এর পরবর্তী ১৪ই আগস্ট বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে আজহার পদত্যাগ করেন কলেজের নিয়ম অনুযায়ী আজহার বহিষ্কৃত হন কিন্তু গত বুধবার আবারো ক্ষোব ছড়ায় পুরনো সিন্ডিকেট ব্যবহার করে আজহার তার আগের পদে ফেরার চেষ্টা করে এবং কলেজে অবস্থান নেয় প্রতিবাদ করতে আসা শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়তে হয় কলেজের বাইরেও প্রভাবশালী মহল ক্ষমতাসীন দলের নাম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা এমন প্রশাসন কখনোই চায় না যাদের হাতে এখনো জুলাইয়ের লাল রক্ত লেগে আছে আজহারের পুনর্বাসন শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয় বরং এটি রাজু কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে প্রমোশন ও আন্দোলন শহীদের স্মৃতি এবং শিক্ষার্থীদের অবস্থানের বিপরীতে দাঁড়ানোর এক বার্তা [১, ২]।
২৪শে জুলাই এর পর রাজুক মডেল কলেজে আবার আলোচনায় একটি নাম আজহার রাজুকের দীর্ঘদিনের এই প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে যা নিয়ে টিভি নিউজ রিপোর্টও আছে এছাড়াও তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় তার ভূমিকার জন্য ব্যাপক সমালোচিত হন ১৮ই জুলাই বিএনএস সেন্টার এলাকায় যখন পুলিশ গুলি টিয়ার সেল ও লাঠিচার্জ চালাচ্ছিল তখন আশ্রয়ের জন্য অসংখ্য শিক্ষার্থী ছুটে আসে রাজুব কলেজে সেই সময় আজহারের নির্দেশে কলেজের গেট বন্ধ রাখা হয় কলেজের সামনে এপিসি থেকে গুলি ছড়লেও গেট খোলা হয় না পরে শিক্ষার্থীরাই গেট ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে গুলিবিদ্ধ আহত শিক্ষার্থীরা আশ্রয় চাইলে তাদের জন্য গেট খোলা হয়নি কলেজের প্রত্যেকটি গেট বন্ধ রাখা হয় আজহার ও প্রাক্তন ভিপি আমিনের নির্দেশ ও হুমকিতে অনেক শিক্ষক সাহায্য করতে এগিয়ে এসে থেমে যান এমনকি কলেজের ভিতরে থাকা পানি ও আন্দোলনকারীদের কাছে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয় ২৪ এর পরবর্তী ১৪ই আগস্ট বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে আজহার পদত্যাগ করেন কলেজের নিয়ম অনুযায়ী আজহার বহিষ্কৃত হন কিন্তু গত বুধবার আবারো ক্ষোব ছড়ায় পুরনো সিন্ডিকেট ব্যবহার করে আজহার তার আগের পদে ফেরার চেষ্টা করে এবং কলেজে অবস্থান নেয় প্রতিবাদ করতে আসা শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়তে হয় কলেজের বাইরেও প্রভাবশালী মহল ক্ষমতাসীন দলের নাম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা এমন প্রশাসন কখনোই চায় না যাদের হাতে এখনো জুলাইয়ের লাল রক্ত লেগে আছে আজহারের পুনর্বাসন শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয় বরং এটি রাজু কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে প্রমোশন ও আন্দোলন শহীদের স্মৃতি এবং শিক্ষার্থীদের অবস্থানের বিপরীতে দাঁড়ানোর এক বার্তা [১, ২]।